কিসমিস (Golden Raisins)- আমরা চিনি থেকেও গ্লুকোজ পাই, কিন্তু কিশমিশ থেকে পাওয়া গ্লুকোজের খাদ্যমান অনেক বেশি। চিনি খেলে আমাদের শরীরের বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে, কিন্তু কিশমিশ থেকে পাওয়া গ্লুকোজ কোনো ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না। আমাদের সরাসরি কিশমিশ গ্রহণ করা উচিত নয়। কিশমিশকে পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে তারপর পানিসহ কিসমিস খাওয়া উচিত। এতে পানিতে কিশমিশের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যেমন লৌহ, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, বোরন ইত্যাদি মিশে যায়। এই পানি আমাদের রক্তকে পরিশুদ্ধ করে। কিশমিশ থেকে প্রাপ্ত লৌহ উপাদানটি আমাদের রক্ত উৎপাদনে প্রধান ভূমিকা পালন করে। এছাড়া বোরন আমাদের শরীরের হাড় গঠনেও ভূমিকা পালন করে। যারা হাড়জনিত সমস্যায় ভুগছেন তারা প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কিশমিশ ভেজানো পানি খেতে পারেন। কিশমিস আমাদের ত্বককে করে মসৃণ। এছাড়া ক্যান্সার বা টিউমার জাতীয় রোগ থেকেও রক্ষা করতে কিশমিশের ভূমিকা রয়েছে। খাদ্য বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, রক্তশূন্যতা কিংবা রক্ত ক্যান্সার দূর করতে কিশমিশ বিশেষ ভূমিকা পালন করে। কোষ্টকাঠিন্য রোগে আমরা অনেকেই প্রায় ভুগে থাকি। এই অতি কমন রোগটির নিরাময়ের জন্য প্রতিদিন সকালে কয়েক টুকরো কিশমিশ পানিতে ভিজিয়ে খেতে পারেন। কয়েদিনের মধ্যেই ফলাফল পেয়ে যাবেন।